প্রবাসী কামালের সহধর্মিণী নাসিমা বেগম জানায়, গেল সোমবার (১৭ মার্চ) বিকেলে মনিরের পরিবারের সকলে মিলে লাঠিসোঁটা ও ইট পাটকেল নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। তাদের তান্ডবে আতঙ্কিত হয়ে আমি সন্তানদের নিয়ে দরজা বন্ধ করে ঘরে বসে ছিলাম। আমি, আমার দুই মেয়ে ও একটি ছোট ছেলে নিয়ে খুবই নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করছি। কোন কারণ ছাড়াই সামান্য বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে মনির হোসেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা আমার বসতঘরে হামলা চালায় এবং আমাদেরকে হত্যার হুমকি দেয়। আমার বড় মেয়ে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। আমার মেয়ে কলেজে আসা যাওয়ার পথে তার ছেলে আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে। এতে আমার বর্তমান বসবাসস্থল সম্পূর্ণ অনিরাপদ। তাই, আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের শুভ দৃষ্টি কামনার মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মনির হোসেন ও তার পরিবারের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিচার চাই।
তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়েও তার ছেলে ছাত্রলীগের এবং মনির হোসেন আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্নভাবে আমাদের ক্ষতিসাধন করে।
এ দিকে অভিযুক্ত মনির হোসেন বলেন, তাদের ঘরের পাশেই আমার পুকুর। আমি পুকুরে মাছ চাষ করলে তারা হাঁস দিয়ে আমার পুকুরের মাছগুলো খাইয়ে ফেলে। তাই একবার আমি তাদের একটি হাঁস মেরে ফেলি এবং অভিযোগের ঘটনায় আমার স্ত্রী কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের বাড়ির উঠানে লাঠি নিয়ে যায়। সেখানে তাদের বাকবিতন্ডা হয়।
বিষয়টি নিয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমরা উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।