অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন এবং ওষুধের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে সরকার গঠিত টাস্কফোর্স কেন অবৈধ, কু-উদ্দেশ্যপ্রসূত ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। গত সোমবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
এ কে মাহবুবুর রহমানের পক্ষে রিট পিটিশন দায়ের করেন অ্যাডভোকেট এ কে এম জাগলুল হায়দার আহমেদ আফ্রিক। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুরত চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ আব্দুল করিমসহ সংশ্লিষ্ট আইন কর্মকর্তারা। আদালত রুলের জবাব দাখিলের জন্য প্রতিবাদীদের তিন সপ্তাহ সময় দিয়েছেন।
রুলে বলা হয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক ২৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে জারিকৃত স্মারকের মাধ্যমে গঠিত ১৮ সদস্যবিশিষ্ট টাস্কফোর্সে আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত না করায় ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৩ এবং উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্যাবিনেট ডিভিশনের ১০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখের নির্দেশনা লঙ্ঘিত হয়েছে কি না—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবাদীদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
হাইকোর্ট আরও জানতে চেয়েছেন, টাস্কফোর্সে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়ে প্রতিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ, কু-উদ্দেশ্যপ্রসূত ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না এবং কেন সংশ্লিষ্ট স্মারক ও তৎসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে আইনগত কার্যকারিতাবিহীন ঘোষণা করা হবে না।
এ ছাড়া, রুলে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে—কেন প্রতিবাদীদের প্রতি নির্দেশ প্রদান করা হবে না যে, ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৩ এবং উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা অনুসরণ করে উক্ত টাস্কফোর্সে আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।