ঢাকা-৯ আসনের অন্তর্ভুক্ত ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাসাবো গার্লস স্কুল, মাদারটেক আবদুল আজিজ স্কুল, বাসাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১৮টি ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে—জাতীয় পার্টি (জাপা) ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত প্রার্থীদের কোনো পোলিং এজেন্ট উপস্থিত নেই।
আজ বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ চলাকালে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উল্লিখিত দুই দলের পক্ষ থেকে কোনো এজেন্ট কেন্দ্রে আসেননি। প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানান, ভোট শুরুর নির্ধারিত সময়ের পরও তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত না হওয়ায় এজেন্টবিহীনভাবেই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।
কেন্দ্র পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, অন্যান্য প্রার্থীদের এজেন্টরা নিজ নিজ টেবিলে অবস্থান করছেন এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে জাতীয় পার্টি ও সিপিবির জন্য নির্ধারিত আসনগুলো খালি পড়ে আছে। কিছু কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, তারা নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত হননি কিংবা যোগাযোগও করেননি।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টরা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, অনিয়ম থাকলে তাৎক্ষণিক আপত্তি উত্থাপন এবং গণনা কার্যক্রমে উপস্থিত থাকার সুযোগ পান। এজেন্ট অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা সরাসরি পর্যবেক্ষণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
বাসাবো শহীদ জিয়া স্কুল কেন্দ্রের গোলাম হাফিজ জানান, তিনি সকাল থেকে জাপা ও সিবিপির কোনো এজেন্টকে আসতে দেখেননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।