গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন স্বামী। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভব দাস। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সীমা রানী দাস একই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভব দাস ওই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক কলহের কারণে সীমা রাণীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন উদ্ভব। পরে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে সীমার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। তার গলায় ও মাথায়ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।