নওগাঁর নিয়ামতপুরে উপজেলা বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের ২ শিশুসহ ৪ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে নিয়ামতপুর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বিকেলে মরদেহগুলো উদ্ধার করে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এরপর রাতে পপি সুলতানার বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজন নারী পুরুষকে আসামি করা হয়েছে।
তিনি জানান, গতকালকেই নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা বেগম ও হালিমা বেগম এবং ভাগনে সবুজ রানাকে (২৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। তারা এখনও পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, ‘মরদেহগুলো এখনও নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। আজ বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ, সিআইডি একটি টিম এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আলামত সংগ্রহ করেছে। হত্যাকারীরা যেই হোক প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক সংস্থা ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার, ২০ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের ২ শিশুসহ ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। একসঙ্গে ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর উপজেলার উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং ৩ বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।