প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ২৬, ২০২৬, ৪:৪৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
একটি গাছে বারো রঙের ফুল ফোটাতে সক্ষম হয়েছেন আব্বাস আলী

ফুল ভালবাসে না এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। আর সেই ফুল প্রেমীদের একজন আব্বাস আলী। তার দীর্ঘ গবেষণা আর পরিশ্রমের পর একটি গাছে বারো রঙ্গের ফুট ফোটাতে সক্ষম হয়েছেন আব্বাস আলী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,রংপুর জেলাধীন বদরগঞ্জ উপজেলার ৯নং দামুদারপুর ইউনিয়নের বানুয়া পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্বাস আলী প্রায় ২ যুগ আগে ছোট আকারে তার বাসতবাড়ীর এক পাশে শুরু করেন নার্সারী। বর্তমানে তার একই নামে চারটি শাখা সহ একটি সেল সেন্টার রয়েছেন। সেখানে কাজ করছেন প্রায় শতাধিক শ্রমিক। তিনি তার বাগানে দেশী ফল-মূলের গাছের পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারাও উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু বিদেশী ফলের চারাই নয়, পাশাপাশি বিদেশী ফুলের চারা সহ দেশী ফুলের চারাও পাওয়া যায় তার নার্সারীতে।
সৌরভ নার্সারীতে চারা কিনতে আসা মাসুম মিয়া নামে একজন ক্রেতা বলেন,আমি অনেক নার্সারীতে গিয়েছিলাম কিন্তু এনার মত ব্যতিক্রমী গাছ বা চারা কোথাও পাইনি। তিনি আরো বলেন , আমি এখানে একটি গাছে বারো কালারের বাগান বিলাস ফুল ফুটতে দেখে আবাক হয়েছি।
সৌরভ নার্সারীর প্রোপাইটার মোঃ আব্বাস আলী বলেন,আমি আজ থেকে প্রায় দুই যুগ আগে মাত্র ২০হাজার টাকা দিয়ে আমার বসতভিটার এক পাশে শুরু করেছিলাম একক উদ্যোগে। তখন সবাই আমাকে নিয়ে উপহাস করেছিল। আমি তাদের উপহাসকে আমার প্রেরণা মনে করেছি এবং তাদের এই উপহাস আমাকে আরো সফলতার কাজে সহায়তা করেছে।
তিনি বলেন, আমি প্রথমের দিকে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমানে সফল এবং লাভবান। আমাদের একটি থেকে এখন পাঁচটি শাখা করেছি। সব মিলে আমি প্রায় এক শত পরিবারের কর্মসংস্থান করতে পেরেছি। তবে আমি যদি সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগীতা এবং কৃষি অধিদপ্তর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতাসহ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা পাই আরো ভাল কিছু করতে পারবো ।
বদরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার মোছাঃ সেলিনা আফরোজ বলেন,আমি সেখানে গিয়েছিলাম এবং দেখে এসেছি। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সর্বদা তদারকি করবো এবং সর্বদা যে সকল পরামর্শ লাগবে আমরা তা প্রদান করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
www.dailymotprokash.com