
আওয়ামী লীগের চার কর্মী গ্রেপ্তারের পর থানায় গিয়ে পুলিশকে চাপ প্রয়োগ ও থানা–ওসিকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পীরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল হুদা মিঠুর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় যুবদল কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার রাতে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে চার আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তারের পর পরদিন সকালে মিঠুসহ ৩০–৩৫ জন থানায় গিয়ে আটক ব্যক্তিদের ‘আত্মীয়’ দাবিতে মুক্তির চাপ দেন। ভিডিওতে তাঁকে ওসিকে উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যায়—“আপনি মানুষ চিনেন নাই… আপনার এখানে রিজিক নাই, রিজিক উঠে গেছে।”
ওসি আরশেদুল হক জানান, বিএনপি–যুবদল নেতারা থানায় এসে গালিগালাজ, পুলিশ সদস্যদের হুমকি এবং থানা পুড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেন। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। তবে নাজমুল মিঠু দাবি করেন, তিনি হুমকি দেননি, বরং “৫ আগস্ট উত্তেজিত জনতা থানা জ্বালিয়ে দিত—আমরা না থাকলে” এমন মন্তব্য করেছিলেন।
এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় যুবদল তাঁকে তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। তাঁর ফোনে বারবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন জেলা যুবদল নেতারা।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।