নয়নপুর গ্রামের অশীতিপর বৃদ্ধ সেরাজ খাঁ প্রচুর সম্পত্তির মালিক। গ্রামে তার বাড়িটা সবচেয়ে বড়বাড়ি। এতে লোক সংখ্যা অনেক। সেরাজের দুই ছেলে দুই মেয়ে। বড় ছেলের নাম মেরাজ এবং ছোটছেলের নাম এন্তাজ। একমাত্র মেয়ে শাফিয়া। তার বিয়ে হয়েছে। স্বামী মারা গেছে। একমাত্র মেয়ে বুন্দিকে নিয়ে অন্যগ্রামে থাকে। গ্রামের নাম সখীপুর। সে মাঝে মাঝে বাবার বাড়ি আসে সম্পত্তির ভাগ চাইতে।
মেরাজ নিঃসন্তান। এজন্য তার বৈষয়িক টান নেই। কিন্তু স্ত্রী জাহানারার আছে। সে সম্পত্তির ভাগ ছাড়তে চায় না। নিঃসন্তান হওয়ায় মেরাজ ছোটভাই এন্তাজের মেজোছেলে কামালকে পালক নিয়েছে। তাকে লেখাপড়া শিখিয়েছে। কামাল এখন চাকরি করে।
এন্তাজের আরও তিন ছেলে আছে। বড়ছেলের নাম জামাল, সেজোছেলের নাম হাবিব, ছোটছেলের নাম বদি। এরা কেউ লেখাপড়া সেভাবে করেনি। মোটকথা কাউকে মানুষ করতে পারেনি। জামাল হিসেবি। সে বিয়ে করেছে। স্ত্রীর নাম রত্না। বাবার বাড়ির প্রতি খুব টান তার। তার বড়ভাই মনজিল ধুরন্ধর। কিছু করে না। টাকার প্রয়োজন পড়লে বোনের কাছে আসে। রত্নাও দেয়।
এ নিয়ে সেরাজের পরিবারে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। কথা চালাচালি হয়। নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্যদিয়ে এগিয়ে যায় একান্নবর্তী পরিবারের সুখ-দুঃখের গল্প। নাটকের নাম ‘এক পাতিলের সংসার’।
নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, রোবেনা রেজা জুঁই, আখম হাসান, ফারজানা মিহি, শামীম জামান, জয় রাজ, রেজমিন সেতু, আহসানুল হক মিনু, শফিক খান দিলু, শেলী আহসান, সালাউদ্দিন লাভলু, সাদ্দাম মাল প্রমুখ।
আহমেদ শাহাবুদ্দীনের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন শামীম জামান। নির্মাতা জানান, ‘এক পাতিলের সংসার’ প্রতি রোববার থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় প্রচার হবে মাছরাঙা টেলিভিশনে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।