চতুর্থ দিনের সকালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুটি উইকেট তুলে নিয়ে লড়াইয়ে টিকে থাকল বাংলাদেশ। মধ্যাহ্নবিরতিতে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১২৮ রান। তাতে তাদের লিড বেড়ে হয়েছে ৯৮ রান। ওপেনিং জুটিতে ব্র্যান্ডন কিং ও জশুয়া ডি সিলভা ৮৫ রান যোগ করার পর একটি করে উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
দিনের দ্বিতীয় ওভার থেকেই নিয়মিত বাউন্ডারি আদায় করতে থাকেন কিং ও ডি সিলভা। হাসান মাহমুদকে কাভার দিয়ে পরপর দুটি চার মারেন কিং। এরপর তাসকিন আহমেদের বলে সোজা ব্যাটে খেলে দিনের প্রথম বাউন্ডারি পান ডি সিলভা। একাদশ ওভারে তাসকিনকে পরপর দুটি চার মারেন কিং। ত্রয়োদশ ওভারে মাহমুদকে একইভাবে দুটি চার মারেন ডি সিলভা।
নাঈম হাসানকে দিনের প্রথম ছক্কাটি মারেন কিং। ওই ওভারেই এর আগে একটি চারও আদায় করেছিলেন তিনি। তবে তাইজুলের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ডি সিলভা। তার সংগ্রহ ৩৬ রান। টেস্ট ক্রিকেটে এ নিয়ে ষষ্ঠবার ডি সিলভাকে আউট করলেন তাইজুল।
এর কিছুক্ষণ পর জীবন পান কিং। কাভার অঞ্চলে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে তার উঁচুতে ওঠা ড্রাইভটি ধরার চেষ্টা করেছিলেন তাওহীদ হৃদয়। তবে বলটি তালুবন্দি করতে পারেননি তিনি। তখন ৫৬ রানে ব্যাট করছিলেন কিং।
এরপর টানা চারটি বাউন্ডারি মারেন কাভেম হজ। তবে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পুরস্কার পান মিরাজ। তার বলে স্লিপে ক্যাচ দেন কিং। দারুণভাবে ক্যাচটি নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬১ রানের ইনিংসে কিং মেরেছেন ১০টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে, মধ্যাহ্নবিরতির ঠিক আগে তাইজুলকে ছক্কা মেরে নিজের প্রথম ছক্কাটি আদায় করেন হজ।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।