
রকিবুল আলম রকিব পরিচালিত আলোচিত ছবি ‘গোয়ার’ ১৪ নভেম্বর সারাদেশের ১৫টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির আগে ব্যতিক্রমী সব প্রচারণায় ইতিমধ্যেই আলোচনায় ছিলেন ছবির নায়ক রাসেল মিয়া ও প্রযোজক হেলেনা জাহাঙ্গীর।
মুক্তির আগে এফডিসির সামনে অসচ্ছল মানুষের জন্য ১০ দিন ধরে নিজ হাতে রান্না করে খাবার বিতরণ, ঢাকা মেডিকেলে রোগীর স্বজনদের হাতে খাবার দেওয়া—এসব মানবিক কার্যক্রমে নজর কাড়েন রাসেল। এমনকি নিজের সিনেমার প্রচারে ভ্যান চালিয়েও চমক দেন তিনি।
মুক্তির দিনেও দেখা গেল আরেক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। সকালে আনন্দ সিনেমা হলে ‘গোয়ার’-এর মর্নিং শোতে দর্শকদের সঙ্গে হাজির হন নায়ক ও প্রযোজক। বিরতির সময় হঠাৎ দেখা যায়—হাতে ট্রে নিয়ে রাসেল মিয়া নিজেই চিপস, কেক ও ঠান্ডা পানীয় বিক্রি করছেন।
ট্রে হাতে হাঁক দিতে দিতে বলছিলেন— “চিপস আছে, কেক আছে, ঠান্ডা পানি আছে! যার যা লাগবে তাড়াতাড়ি বলেন!”
প্রথমে দর্শকরা অবাক হলেও পরে পুরো হলে হাসি-আনন্দ আর উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে দৌড়ে গিয়ে নায়কের সঙ্গে সেলফি তোলেন।
পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন— “ছোটবেলায় আমরা হলে গেলে বিরতিতে চিপস–চকলেট বিক্রির সেই ডাকাডাকির জন্য অপেক্ষা করতাম। এখন সেই দৃশ্য নেই। সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই আজ নিজে বিক্রি করেছি।”
আরও যোগ করেন— “চলচ্চিত্র টিকলে সমাজ বাঁচবে। মাদক–সন্ত্রাস বন্ধ করতে হলে চলচ্চিত্র শিল্পকে শক্ত হতে হবে। তাই আমাদের লড়াই চলবে।”
হল কর্তৃপক্ষ জানায়—প্রায় ১৭ বছর পর আনন্দ হলে মর্নিং শোতে ‘হাউসফুল’ হয়েছে। অনেক দর্শক রাসেল মিয়াকে দেখে আবেগে ‘মান্না ভাই, মান্না ভাই’ বলে ডাকতে থাকেন। তাদের আশা, ‘গোয়ার’ বাংলা সিনেমায় নতুন রেকর্ড গড়বে।
ছবিটিতে রাসেল মিয়ার সঙ্গে অভিনয় করেছেন জলি, আরও আছেন মিশা সওদাগর, হেলেনা জাহাঙ্গীর, মনজুর আলম, বর্দা মিঠু, জামাল পাটোয়ারী ও ডেঞ্জার নাসিম।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।