ঘরের মাঠে স্টুটগার্টকে ৪-২ গোলে হারিয়ে আরও একটি জার্মান শীর্ষ লিগের শিরোপা জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ। চারটি ম্যাচ বাকি থাকতেই তারা চ্যাম্পিয়ন হয়।
ম্যাচের ২১ মিনিটে ক্রিস ফ্যুরিখের গোলে এগিয়ে গিয়ে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনাকে কিছু সময়ের জন্য স্তব্ধ করে দেয় সফরকারী স্টুটগার্ট। তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় বায়ার্ন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে রাফায়েল গেরেইরো, নিকোলাস জ্যাকসন ও আলফোনসো ডেভিস গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে দলের হয়ে নিজের লিগের সর্বোচ্চ ৩২তম গোলটি করেন হ্যারি কেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তার ৫১তম গোল। তার এই গোলের মাধ্যমে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ১০৯ গোল করে নতুন রেকর্ড গড়ে বায়ার্ন, যা ১৯৭১-৭২ মৌসুমে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার ও গার্ড মুলারের দলের করা ১০১ গোলকে ছাড়িয়ে যায়।
ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে চমৎকার এক গোলে ব্যবধান কমান চেমা আন্দ্রেস, তবে সেটি ছিল কেবল সান্ত্বনার গোল।
এই জয়ে বায়ার্ন মিউনিখ দ্বিতীয় স্থানে থাকা বুরুসিয়া ডর্টমুন্ডের চেয়ে ১৫ পয়েন্ট এগিয়ে যায়, যা আর পেছনে ফেরা সম্ভব নয়। আগের দিন ডর্টমুন্ডের পরাজয়ের পর বায়ার্নের শিরোপা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল; এই ম্যাচে শুধু এক পয়েন্ট পেলেই যথেষ্ট ছিল।
এটি বায়ার্নের রেকর্ড ৩৫তম জার্মান শিরোপা। ১৯৬৩ সালে লিগ চালুর পর থেকে তাদের আধিপত্য আবারও প্রমাণিত হলো। এর আগে লিগ শুরুর পূর্বে তাদের একমাত্র শিরোপা ছিল ১৯৩২ সালে।
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় জোশুয়া কিমিখ বলেন, ‘এটা সত্যিই বিশেষ একটি মুহূর্ত। বিশেষ করে এই মৌসুমে আমরা অসাধারণ খেলেছি। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের পর এমন পারফরম্যান্স দেখানো সহজ নয়।’
তবে উদযাপন ছিল কিছুটা সংযত। খেলোয়াড়রা দর্শকদের সামনে স্মারক টি-শার্ট পরে উদযাপন করলেও প্রচলিত পানীয় ছিটানোর উৎসব দেখা যায়নি।
এই শিরোপা হয়তো আরও বড় সাফল্যের শুরু। বায়ার্ন এখন জার্মান কাপের সেমিফাইনালে বায়ার লেভারকুসেনের মুখোমুখি হবে এবং একই সঙ্গে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতার শেষ চারের ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইর বিপক্ষে লড়বে।
ক্লাব সভাপতি হারবার্ট হাইনার বলেন, ‘আশা করি এটিই শেষ শিরোপা নয়। আমাদের নারী দলও টানা চতুর্থবারের মতো লিগ জিতবে এবং তারাও কাপের ফাইনালে আছে। আমরা চাই সব শিরোপা জিতে রাজধানীতে ফাইনাল খেলতে যেতে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।