জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ–বকশীগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী লড়াই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটারদের মতে, এবারের লড়াই হবে মূলত ত্রিমুখী।
এ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন দলের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র প্রার্থী মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী, সাবেক বিএনপি নেতা ও চারবারের উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ তালুকদার।
যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীবেষ্টিত সীমান্তবর্তী এই আসনে দীর্ঘদিন ধরেই নদীভাঙন একটি বড় সমস্যা। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকের প্রবাহ নিয়েও ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ফলে উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি এসব ইস্যু এবারের ভোটে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দুটি উপজেলা, দুটি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৫ হাজার ৮৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১২ হাজার ৫২৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৩ হাজার ৩৫৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ২ জন।
প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে এলাকার সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। অতীত অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তিন শীর্ষ প্রার্থীর ভোটের সমীকরণ এখন জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, “২৫ বছর ধরে জনগণের সঙ্গে আছি। জনগণের রায়ই হবে চূড়ান্ত।”
জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী বলেন, “কল্যাণমূলক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে মানুষ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেবে।”
বিএনপির প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “নদীভাঙন রোধ, বেকারত্ব দূর ও এলাকার উন্নয়ন যিনি নিশ্চিত করবেন, ভোটাররা তাকেই বেছে নেবেন।”
ভোটারদের ভাষায়, নদীভাঙন রোধ, সীমান্তে চোরাচালান ও দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারা প্রার্থীই পাবেন জামালপুর-১ আসনের জনগণের সমর্থন।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।