বিবিএ সম্পন্ন করে ঠিক যখনি চাকুরি নিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের দিকে এগুচ্ছিলো ২৭ বছর বয়সী সুদীপ্ত কুন্ডু, ঠিক সে সময়ে মরণব্যাধি লিভার সিরোসিস সহ নানা জটিল রোগে বাসা বেঁধেছে তাঁর শরীরে। সুদীপ্ত কুন্ডু দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার সমর কুন্ডু ও রুমি রাণী কুন্ডু দম্পতির একমাত্র ছেলে। নিজেদের পারিবারিক ব্যবসা, সম্পত্তি, সংসারে সুখ-শান্তি সবই ছিল তাদের পরিবারে। কিন্তু ছেলের চিকিৎসার খরচ যোগাতে সহায় সম্বল সব বিক্রি করে এখন নিঃস্ব হয়ে একমাত্র বসত বাড়িটিও বিক্রির জন্য চেষ্টা করছেন সুদীপ্তের বাবা। সুদীপ্তের চিকিৎসার জন্য দরকার প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা। সবশেষ সম্বল বসত বাড়ি বিক্রি করলেও তাঁর পরিবারের পক্ষে ৮০ লক্ষ যোগাড় করা সম্ভব হবে না। একমাত্র ছেলের এমন দুর্দশায় শোকে পাথর হয়ে ছেলেকে বাঁচানোর আশায় দিক্বিদিক ছোটাছুটি করছেন সুদীপ্তের মা-বাবা।
দীর্ঘদিন থেকে লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন সুদীপ্ত। গত অক্টোবর মাস থেকে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত সুদীপ্তের রোগের তীব্রতা বেড়ে বর্তমানে সে শয্যাশয়ী হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সুদীপ্তকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে পারলে সে আবারো আগের মতন সুস্থ্য হয়ে উঠবে। কিন্তু পরিবারের সামর্থ্য না থাকায় মনে একরাশ দুঃখ-কষ্ট নিয়েই দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন সুদীপ্ত কুন্ডু। চিকিৎসকেরা আরো জানিয়েছেন, সুদীপ্তকে বাঁচাতে হলে আগামী এক মাসের মধ্যেই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা অত্যন্ত জরুরী। অন্যথায় তার অবস্থা আরো খারাপের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন চিকিৎসকেরা।
ইতোমধ্যেই সুদীপ্তর চিকিৎসার ফান্ড কালেকশনের জন্য তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব এবং স্থানীয় শুভাকাঙ্খীরা। এরই মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা কালেকশন করা হয়েছে, আরো প্রয়োজন ৬৫ লক্ষ টাকা। অতিসত্ত¡র সুদীদপ্তকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সহ অন্যান্য রোগের চিকিৎসা করে তাঁকে সুস্থ্য করে তোলার জন্য দেশবাসী এবং সমাজের বিত্তবানদের নিকট বিনীতভাবে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তাঁর পরিবার। অগ্রণী ব্যাংকের দিনাজপুর জেলার বিরামপুর শাখায় সুদীপ্তের বাবার একাউন্টে (একাউন্ট নম্বর- ০২০০০০৯৬০০৮৮০) টাকা জমা দিয়ে সহায়তা করা যাবে। অথবা সরাসরি ০১৭১৫-১৩৯১৮৫ এই মোবাইল নাম্বারে সুদীপ্তের বাবার সাথে যোগাযোগ করেও তাকে সহযোগিতা করা যাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।