দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ঢাকা থেকে জাপানের নারিতা রুটে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৭৬ ফ্লাইটটি জাপানের উদ্দেশে ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়।
সরকার আশা করছে, এই রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা এবং জনসম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
গতকাল রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা-নারিতা রুটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ভবিষ্যতে এই রুট আর বন্ধ করার প্রশ্নই আসে না।
তিনি বলেন, ‘আশা করি, এবার রুটটি লাভজনক হবে এবং ইতোমধ্যে উদ্বোধনী ফ্লাইটের পাশাপাশি ফিরতি ও পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর বুকিংও সম্পন্ন হয়েছে। এতে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।’
‘মিট এন্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘জাপান প্রবাসী প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি ছাত্র, শ্রমিক ও অভিবাসীদের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা ফ্লাইটটি চালু করেছি। ফ্লাইটটি যাতে আর কখনোই বন্ধ না হয় সেজন্য ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৮০ সালে উড়োজাহাজ স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক সুদৃঢ় করার জন্য ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট চালু করেছিলেন।
এরপর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর আবারও চালু হলো এই রুট।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।