দিনাজপুরে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস; বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। এদিকে শৈত্যপ্রবণ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় একই সময়ে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯.২ ডিগ্রিতে, যা আজ দেশের সর্বনিম্ন।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, উত্তর দিক থেকে শীতল বাতাস প্রবাহিত হওয়া এবং রাতের আকাশ পরিষ্কার থাকায় তাপমাত্রা দ্রুত কমছে। সামনে আরো এক–দু’দিন তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।
শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে। ভোর ও রাতে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় চলাচলে বিপত্তি দেখা দিচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, “গত দুইদিন ধরে ভোরে প্রচণ্ড কুয়াশা পড়ছে। রাস্তায় চলাফেরা করতে কষ্ট হচ্ছে, কাজে যেতে দেরি হচ্ছে।”
হিলির ব্যবসায়ী মো. রহিম উদ্দিন বলেন, “শীত বাড়ায় সকালে বাজারে মানুষ কম বের হয়। দোকান খোলা রাখলেও ক্রেতা তেমন আসে না।”
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নেওয়া, গরম কাপড় ব্যবহার, উষ্ণ খাবার গ্রহণ এবং সকাল–সন্ধ্যায় অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়া উত্তম।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলে শিগগিরই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে, যা দিনাজপুর–পঞ্চগড়সহ আশপাশের জেলায় শীতের অনুভূতি আরো বাড়িয়ে দেবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।