ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার সহকারি অফিস প্রধান শারীরিক ভাবে অসুস্থ আব্দুল মোমেনকে সাংবাদিক নামধারী আওয়ামী দালালের একটি চক্র বিশাল ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে বদলি করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার(১৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে নবীনগর উপজেলা পরিষদ সড়কে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিলে তোপের মুখে পড়েন ইউএনও রাজীব চৌধুরী।
বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী গাড়িতে করে অফিসে যাওয়ার সময় রাস্তায় ছাত্রদের তোপের মুখে পড়ে গাড়ি থেকে নেমে যান। তিনি মোমেনের শারীরিক দিক বিবেচনা করে তার বদলির আদেশ বাতিলের বিষয়টি চেষ্টা করা হবে বলে উপস্থিত ছাত্র-জনতাকে আশ্বাস দেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা পরিষদ সড়কে ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি তৌফিকুল ইসলাম তপুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইকবাল হোসেন মোল্লা, আশরাফ হোসেন রুবেল, হযরত আলী, ছাত্রনেতা সামদানী হৃদয়, আরিয়ান জাহিদ, মোহাম্মদ ফাহিম, মোঃ শাহিন, মোহাম্মদ ইউনুস, কামরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, পৌরসভার স্টাফ আব্দুল মোমেন একজন অসুস্থ ও ভালো মানুষ। তার কোন দুর্নীতি নেই। তাকে সরিয়ে পৌরসভার স্টোর কিপার জাহিদুল ইসলামকে এই পদটি প্রদানের উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে সাংবাদিক নামধারী আওয়ামী দালাল সাইদুল আলম সোরাফের যোগসাজশে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে তাকে (আব্দুল মোমেন) বদলি করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে আব্দুল মোমেনকে পুনরায় উক্ত পদে বহাল করে ও যারা ষড়যন্ত্র তাকে বদলি করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কাছে জোর দাবি জানান।
এছাড়াও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নবীনগরের ছয়জন শহীদদের নামে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জোর দাবি জানান বক্তারা।
এ বিষয়ে সাংবাদিক সাইদুল আলম সোরাফ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মোমেনের বদলির বিষয়ে কিছুই জানি না। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
শুভ চক্রবর্ত্তী /এমআই