
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের পেছনে জেলা বিএনপির গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি।
রোববার দুপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিমুল ইহছানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বিএনপি প্রার্থীকে পরাজিত দেখানো হয়েছে—এ বিষয়টি আগেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাকেও লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদনও করা হয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে বিএনপির দলীয় গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি সাংবাদিকতার নীতিমালা উপেক্ষা করে দলীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের বক্তব্য না নিয়েই একটি পত্রিকায় বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, প্রকৃত পরাজিত প্রার্থীকে বিজয়ী দেখানোর জন্য যে সূক্ষ্ম কারচুপি করা হয়েছে, তার দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দলীয় ঐক্য বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র চলছে। তবে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ঐক্যবদ্ধভাবেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
এ সময় আগামীতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের মতামত গ্রহণ করে বস্তুনিষ্ঠ ও ন্যায়সংগত সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।