“আমি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবো। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স থাকবে। আমরা কোনো চাঁদাবাজি করব না, কাউকে চাঁদাবাজি করতেও দেব না”—এমন অঙ্গীকার করেছেন ঠাকুরগাঁও–৩ (রাণীশংকৈল–পীরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মিজানুর রহমান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাণীশংকৈলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মিজানুর রহমান বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না। রাণীশংকৈল হাসপাতালকে ৩০০ শয্যায় উন্নীত করবো এবং শুকিয়ে যাওয়া কুলিক নদী পুনঃখননের উদ্যোগ নেবো।” তিনি আরও বলেন, “আমরা জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চাই। শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানো হবে। বেকারদের বিনা টাকায় চাকরির ব্যবস্থা করা হবে এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে।”
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি দু’দফা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলাম। রাণীশংকৈল–পীরগঞ্জের উন্নয়ন নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা ও চিন্তা রয়েছে।”
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে সাংবাদিকদের পূর্ণ সহযোগিতা করবো। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন।”
জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রেস ও মিডিয়া শাখার আয়োজনে রাণীশংকৈল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রজব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সদস্যসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জামায়াতে ইসলামী ও ঐক্যজোটের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোকাররম হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আমানুল্লাহ আহমেদ, আবদুল মতিন, মোশাররফ হোসেন, জাহিদুর রহমান, রহিমউদ্দীন, সাব্বির আহমেদ এবং এনসিপি নেতা গোলাম মর্তুজা সেলিম ও সাদ্দাম হোসেন।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্নমূলক বক্তব্য দেন সফিকুল ইসলাম শিল্পী, আশরাফুল আলম, হুমায়ুন কবির, খুরশিদ আলম শাওন, ফারুক আহমেদ, মোবারক আলী, আনোয়ারুল ইসলাম, এ. কে. আজাদ, নাজমুল আলম ও আব্দুল জব্বারসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা। সভা সঞ্চালনা করেন ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা শাহ জামাল জুয়েল।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।