নিহতের পরিবার জানায়, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা ও জ্বরজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন জুয়েল মিয়া।

নিহতের পরিবার জানায়, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা ও জ্বরজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন জুয়েল মিয়া।
গত ৯ ডিসেম্বর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে তার অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. আজিমুল সাদাত সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। দায়িত্বরত নার্সরাও একাধিকবার মুঠোফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু চিকিৎসক সুমনের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে ভোর ৪টার দিকে মৃত্যু হয় জুয়েল মিয়ার।ঘটনার পর দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। পরে তার সঙ্গে সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
দায়িত্বরত নার্স অমৃতা হাজং বলেন, ‘আমরা স্যারকে অনেকবার ডাকাডাকি করেছি, কিন্তু উনি আসেননি। এটা খুবই দুঃখজনক।অন্তত রোগীটাকে একবার দেখে যেতে পারতেন।’
আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার পাল অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডা. আজিমুল সাদাত সুমনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।