বেতন কাঠামো বা নবম পে-স্কেল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই বাস্তবায়ন করতে আন্দোলন আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
তবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, পে-কমিশনের প্রতিবেদনটি কেবল জমা দেওয়া হয়েছে, তবে এর বাস্তবায়নের ভার পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকবে।
গতকাল যমুনা ঘেরারও করতে গিয়ে ৩২ জনের বেশি কর্মচারী আহত হয়েছেন। এরপর তারা দাবি আদায়ে আন্দোলন আরও জোরদার করার অঙ্গিকার করেন।
একই দাবিতে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী জানান, তারা শান্তিপূর্ণভাবে এবং কর্মচারী শৃঙ্খলাবিধির মধ্য থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকার ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করবে বলে আশা করা হয়েছিল।
সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী বলেন, ‘কর্মচারীরা শান্তিপূর্ণভাবে এবং কর্মচারী শৃঙ্খলাবিধির মধ্য থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকার ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় কর্মসূচি আরো জোরদার করা হয়েছে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।