ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে মিন্দানাও অঞ্চলের দক্ষিণ কোটাবাতো প্রদেশের বাঙ্গা ন্যাশনাল হাইস্কুলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী ও নিহত-আহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
দক্ষিণ কোটাবাতোর গভর্নর রেইনালদো তামায়ো সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হামলায় একজন নিহত এবং চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে নিহত বা আহতদের মধ্যে হামলাকারী ছিলেন কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো ফিলিপাইনের অন্যান্য কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আরও বেশি হতাহতের খবর দিয়েছে।
ঘটনার পর বাঙ্গা পৌরসভার সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে। বাঙ্গা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব স্তরের ক্লাস বন্ধ থাকবে।
ফিলিপাইনের শিক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা স্কুলে গুলির ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্কুলকর্মীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
শিক্ষা বিভাগ সবাইকে শান্ত থাকার এবং তদন্ত চলাকালে যাচাই না করা কোনো তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
হামলার পর ফিলিপাইন রেড ক্রস ঘটনাস্থলে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের একটি দল পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার তদন্ত শুরু করেছে।
ফিলিপাইনে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা বিরল। দেশটিতে অঞ্চলটির অন্যতম বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা রয়েছে।
এর আগে জুন মাসে মধ্য ফিলিপাইনের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গুলিতে তিনজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। তদন্তকারীরা ধারণা করেছিলেন, হয়রানিজনিত বিরোধ থেকে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।