
ফেনীতে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার ভোরে আগুন লাগানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়—দুর্বৃত্তরা মুখে মাস্ক পরে কেরোসিন ঢেলে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন লাগিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে দুই যুবক মুক্ত বাজার স্টাডি কেয়ার কোচিং সেন্টারের পাশে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর তারা কেরোসিন ঢেলে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে মডেল কলেজের পাশের গলি দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসিটিভি ফুটেজ ও আলামত সংগ্রহ করে।
জুলাই যোদ্ধা নাহিদুর রহমান বলেন, “জুলাই শহীদদের অসম্মান করতে এভাবে আগুন দেওয়া হয়েছে। আশপাশে সিসিটিভি থাকায় পুলিশ চাইলে খুব সহজেই অপরাধীদের শনাক্ত করতে পারবে।”
জামায়াতের জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা শুধু এলাকায় অবস্থান করছে না; তারা নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের শক্ত হাতে দমন না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় সহিংসতা ঘটতে পারে। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।”
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, “থানার নাকের ডগায় এ ঘটনা ঘটানোই প্রমাণ করে—আওয়ামী দুর্বৃত্তরা এখনও ফেনীতে সক্রিয়। সাম্প্রতিক সময়ে তারা আরও কয়েকটি নাশকতা করেছে। ভবিষ্যতে তারা বড় ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে।”
ফেনী জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানান, “কেরোসিন ব্যবহার করে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্মৃতিস্তম্ভের একটি অংশ পুড়ে কালো হয়ে গেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।