শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন উপদেষ্টা নাহিদ। সেখানে তিনি জানিয়েছেন ১৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আত্মপ্রকাশ করবে দলটি। কিন্তু এখনো দলটির নাম চুড়ান্ত হয়নি বলে জানান নাহিদ।
শোনা যাচ্ছিল উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করে এই দলের হাল ধরতে পারেন ছাত্র উপদেষ্টাদের মধ্যে থাকা কেউ। এ প্রসঙ্গে নাহিদ জানান উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নেননি। এখন তারা বোঝার চেষ্টা করছেন কোথায় তাদের ভূমিকাটা সবচেয়ে বেশি হবে—সরকারের ভেতরে, বাইরে নাকি মাঠে।
রাজনৈতিক দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নাহিদ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের ব্যানারে সক্রিয় হয়েছে। তাদের কর্মীরা নিজ নিজ ব্যানারে চলে গেছেন। কিন্তু যাদের কোনো দল নেই, তাদের মধ্যেও একধরনের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা আছে। নেতৃত্ব বা রাষ্ট্র গঠনে তারাও ভূমিকা রাখতে চান। এই শক্তিটাকে সংহত করার জন্য একটা রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। গত আগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকেই এ ধরনের একটা আলাপ ছিল। সেই সময় আমরা ভেবেছি রাজনৈতিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে সরকারকে সংহত করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারে এসেছি। আমাদের কিছু অঙ্গীকার আছে। সেটা বাস্তবায়ন করে সরকার ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল আমাদের। সেই বিষয়টা এখন পুনর্বিবেচনা করতে হচ্ছে।’
সূত্র: প্রথম আলোর বিশেষ সাক্ষাৎকার
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।