
বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজের উদ্যোগে ছাত্র ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। এই স্বপ্নকে ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন যে অতীতে বহু শিবির নেতাকর্মী খুন ও গুমের শিকার হয়েছেন এবং তাদের অনেকেরই আজ পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন এবং তাঁর রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরেন।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম
চাকসুর ভিপি ইবরাহীম রনি
রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ
ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মমিন, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (পাবনা-১)
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, টিম সদস্য, জামায়াত বগুড়া অঞ্চল
নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (বগুড়া-৩)
রিয়াজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক, ছাত্রশিবির
ডাকসুর নির্বাহী সদস্য মিফতাহুল হোসাইন মারুফ
অধ্যক্ষ আব্দুল হক সরকার, আমির, বগুড়া জেলা জামায়াত
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বগুড়া-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, “নতুন বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন। এখানে দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না।”
রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “ছাব্বিশ জুলাইয়ের আগের রাজনীতি আর চলবে না। জনগণের ভাষা না বুঝলে যে কেউ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।”
চাকসু ভিপি ইবরাহীম রনি বলেন, “সীমান্তে বাংলাদেশী নিহত হওয়ার পরও দেশের বড় দলগুলো কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি। দেশের ছাত্রসমাজ তাঁবেদার রাজনীতি চায় না।”
সমাবেশকে কেন্দ্র করে কাহালু ও নন্দীগ্রামে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। উপস্থিত ছাত্র-যুবকদের অনেকে মনে করছেন যে ছাত্রনেতাদের অংশগ্রহণ ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজের নির্বাচনী অগ্রযাত্রাকে আরও সুগম করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।