মুক্তির প্রথম সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা সেন্টারে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রথমবারের মতো সিনেমার প্রোমোশনে এলেন ‘রক্সস্টার’ হিরো শাকিব খান। এসেই নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধে সরব হলেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান।
‘রকস্টার’ সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিন থেকেই একটি নির্দিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নেতিবাচক প্রচারণা। সিনেমার ভালো দিকগুলো সম্পূর্ণ আড়াল করে শুধু নেতিবাচক রিভিউগুলো কেটে কেটে ছড়িয়ে দেওয়া হতে থাকে প্রথম দিন থেকেই। এমনকি বগুড়ার এক নামী প্রেক্ষাগৃহের মালিকের আক্ষেপমাখা মন্তব্যকেও ভিন্নভাবে টুইস্ট করার অপচেষ্টা চালানো হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাকিব খান বলেন, একটি সিনেমা নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই থাকবে। কিন্তু ‘রকস্টার’-এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নেতিবাচক মন্তব্যগুলো বেছে বেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা তার কাছে রহস্যজনক মনে হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘শুধু নেগেটিভ রিভিউ কেটে কেটে প্রচার করা হলো কেন? এই আক্ষেপটা কার প্রতি? এই চক্রান্তটা কার প্রতি? আমার প্রতি? সানমোশন পিকচার্সের প্রতি? না রুশোর প্রতি? না আমার অন্যান্য কোনো আর্টিস্টের, আমার নায়িকাদের প্রতি? কার প্রতি আমি বুঝলাম না। নাকি বাংলা সিনেমার প্রতি? বিষয়টা আমি বুঝতে পারিনি।’
শাকিব খান স্পষ্ট করেই বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল চায় না বাংলা সিনেমার উন্নতি হোক। নতুন ধারার গল্প নিয়ে সিনেমা যখনই এগিয়ে যেতে চায়, তখনই তারা টেনে পেছনে নামানোর চেষ্টা করে। তারা চায় দর্শক চেনা ছকের মর্টারগান বা মেশিন গান-এর মারামারিতেই আটকে থাকুক।
তবে এই ধরণের বক্স অফিস পলিটিক্সকে ক্যারিয়ারের অংশ হিসেবেই দেখছেন ২৭ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রির চূড়ায় থাকা এই তারকা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে যেমন লড়াই করতে হয়, সেখানে টিকে থাকতে গেলেও সমপরিমাণ স্ট্রাগল করতে হয়। সাময়িকভাবে ইউটিউবাররা ভিউয়ের আশায় নেতিবাচক কন্টেন্ট ছড়ালেও, দ্বিতীয় দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক ফেরার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে দিন শেষে সত্যেরই জয় হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।