কয়েক দিন ধরেই তামিল সুপারস্টার ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, দুজনের মধ্যে নাকি দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এমনকি তৃষা ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে আনফলো করেছেন বলেও গুঞ্জন ওঠে। তবে সব আলোচনা যেন এক মুহূর্তেই থামিয়ে দিলেন অভিনেত্রী নিজেই।
২২ জুন ছিল বিজয়ের ৫২তম জন্মদিন। দিনভর ভক্ত, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভাসলেও তৃষার নীরবতা নিয়ে শুরু হয় নানা প্রশ্ন। অনেকেই ধারণা করতে থাকেন, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব কিংবা কথিত সম্পর্ক হয়তো আর আগের জায়গায় নেই।
তবে সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিশেষ ছবি পোস্ট করেন তৃষা। সেখানে দেখা যায়, অভিনেত্রীর উপস্থিতিতেই জন্মদিনের কেক কাটছেন বিজয়। দুজনের মুখে ছিল হাসি, আর সেই মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয় নতুন আলোচনা।
পোস্টের ক্যাপশনে তৃষা লেখেন, ‘যে মানুষটি সবকিছুকে অর্থবহ করে তোলে, তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।’ সঙ্গে ছিল হৃদয়ের প্রতীক। এছাড়া ‘০০:০০’ সময় উল্লেখ করে তিনি ইঙ্গিত দেন, জন্মদিনের প্রথম মুহূর্তটিও তারা একসঙ্গে কাটিয়েছেন।
ছবিটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাখো মানুষ পোস্টটিতে প্রতিক্রিয়া জানান। মন্তব্যের ঘরেও ভক্তদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিকে বিজয়কে আনফলো করার গুঞ্জন নিয়েও সামনে এসেছে নতুন তথ্য। জানা গেছে, তৃষা কখনোই অভিনেতাকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করতেন না। ফলে আনফলো করার দাবির কোনো ভিত্তি নেই।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমকে বিয়ে করেন বিজয়। সম্প্রতি তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ছড়ানোর পাশাপাশি তৃষার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও চর্চা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে তামিলনাড়ুর নির্বাচনের সময় বিজয়ের পাশে তৃষার উপস্থিতি আলোচনায় আসে। এবার জন্মদিনের ছবিতে সেই জল্পনা যেন আরও নতুন মাত্রা পেল।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।