দেশের প্রথম প্যাকেজ অনুষ্ঠান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন প্রতিবারের মত এবারও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে নির্মাণ করেছে ভালোবাসার পাঁচফোড়ন। গত প্রায় দুই যুগ ধরে বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে এই অনুষ্ঠানটি প্রচার হয়ে আসছে। এবারও ভিন্ন পরিবেশে নানান আয়োজনে সাজানো হয়েছে ভালোবাসার এই পাঁচফোড়ন। পাঁচফোড়নের প্রতিটি আইটেম উপস্থাপনা করা হয় নাটকীয়ভাবে, যেখানে নির্দিষ্ট কোন উপস্থাপক থাকে না। দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের তারকা শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করে থাকেন।
ভালোবাসা দিবসে অনেকেই তাদের প্রেমিকা বা স্ত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যান, তবে এক দম্পতি ভালোবাসার নানান আলাপ নিয়ে দিনটি কাটিয়ে দিলেন নিজের ঘরে। এ দিবসে তাদের মধ্যে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা নিয়েই গড়ে উঠেছে এবারের পাঁচফোড়ন এর গল্প। তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফাঁকে ফাঁকেই আসতে থাকে গান, নাচ, নাটক ও বিভিন্ন বিষয়ের উপর সব রিপোটিং। এবারের অনুষ্ঠানে স্বামী-স্ত্রী’র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সজল নূর ও সারিকা সাবরিন।
এবারের পাঁচফোড়নে মূল গান রয়েছে ২টি। গীতিকার কবির বকুলের কথায় একটি গান গেয়েছেন সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শওকত আলী ইমন। আর একটি দ্বৈত সংগীত গেয়েছেন শিল্পী কমল ও তানজিনা রুমা। গানটির কথা লিখেছেন গীতিকবি মনিরুজ্জামান পলাশ, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন নাভেদ পারভেজ। এছাড়াও রয়েছে একটি জনপ্রিয় ফোক গানের মিউজিকের সঙ্গে বরিশালের স্থানীয় নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনায় নৃত্য। নৃত্যটি পরিচালনা করেছেন মুরাদ। যশোরের খেজুরের যশ ও ঐতিহ্য রক্ষা এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বহরমপুর গ্রামের কাজি মাওলানা ফারুক হোসেন। এলাকায় যিনি ‘রস কাকা’ নামেই বেশি পরিচিত। তার এই অভিনব উদ্যোগের উপর রয়েছে একটি সমসাময়িক প্রতিবেদন।
শিয়াল একটি বন্য প্রাণী, তবে এবারের পাঁচফোড়নে এমন একটি শিয়ালকে দেখানো হবে যেটি ঝোপ-জঙ্গলে, আড়ালে বা গর্তেও নয়, বাস করে লোকালয়ে মানুষের সঙ্গে। নিশাচর হলেও তাকে দেখা যাবে দিনের আলোতে লোকালয়ে ঘুরে বেড়াতে। রয়েছে ভালোবাসার উপর বিভিন্ন আঙ্গিকে কিছু নাট্যাংশ। অভিনয় করেছেন পাঁচফোড়ন এর নিয়মিত শিল্পীরা। অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলায় প্রচার হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে। পাঁচফোড়ন নির্মান করেছে ফাগুন অডিও ভিশন।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।