পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের বাউফল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজারে বিএনপি ও জামায়াতের দুই পক্ষের মুখোমুখি মিছিলে এ সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজারে বিএনপি ও জামাতের দুই পক্ষের মুখোমুখি মিছিলে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই উভয়পক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদের চন্দ্রদ্বীপ থেকে ট্রলারযোগ বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়েছে। বাউফল সদর উপজেলা থেকে নদী ও সাগর বেষ্টিত একটি বিচ্ছিন্ন এলাকা চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন। যেখানে বিএনপি এবং জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে প্রায়ই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এর জের ধরেই আজ সংঘর্ষ হয়েছে।
জামায়াতের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘আমার কর্মীরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপির লোক হামলা চালায়। এতে আমার ১৫ কর্মী আঘাত হয়েছে।’
অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার বলেন, ‘জামাতের লোকজন আমার একজনকে কুপিয়ে আহত করেছে। বর্তমানে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখন আমি আর কিছু বলতে পারব না।’
এদিকে বাউফল হাসপাতালে আহতদের নেওয়ার পরপরই জামায়াত এবং বিএনপি সমর্থিত কর্মীরা হাসপাতাল কম্পাউন্ডের চারপাশে অবস্থান নিলে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত একজনকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তার নাম জানা যায়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘চন্দ্রদ্বীপে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।