
মেহেরপুরের মুজিবনগরে অপহরণের শিকার কিশোর মাহিদ হোসেন (১৭)–কে অপহরণের মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করেছে মেহেরপুর জেলা পুলিশ। পুলিশের দ্রুত ও সফল অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে, মেহেরপুর জেলার পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়–এর দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)–এর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মাহিদ হোসেনকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাহিদ হোসেন তার তিন বন্ধু সাব্বির আলী রিয়াদ, সবুজ ও ফরহাদ–এর সঙ্গে দুটি মোটরসাইকেলে করে কোমরপুর বাজার থেকে বাবুপুর গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন। রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে কোমরপুর ইটভাটা সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে একদল অপহরণকারী মাহিদ ও সাব্বিরের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় মাহিদ ও সাব্বিরকে জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়।
পরে অপহরণকারীরা সাব্বিরকে ছেড়ে দিলেও মাহিদ হোসেনকে জিম্মি করে পাশের একটি বাগানে নিয়ে যায় এবং তার পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। বিষয়টি জানতে পেরে মাহিদের বাবা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)–এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), মুজিবনগর থানা ও সাহেবপুর পুলিশ ক্যাম্পের সমন্বয়ে একটি চৌকস দল দ্রুত অভিযান শুরু করে।
অভিযানকালে কোমরপুর টেংরামারি ব্রিজ সংলগ্ন মিন্টুর সেগুন বাগানের সামনে পাকা রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা ককটেল সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ধাওয়া করলে অপহরণকারীরা ভিকটিমকে একটি ফাঁকা মাঠে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদে মাহিদ হোসেনকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ জানিয়েছে, অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।