বিশ্বকাপে মঙ্গলবার আলো ছড়িয়েছেন ফুটবলের তিন তারকা- লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হলান্ড।
এমবাপ্পে সেনেগালের বিপক্ষে দুই গোল করে ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে যান। অন্যদিকে নরওয়ের হলান্ড বিশ্বকাপ অভিষেকেই ইরাকের বিপক্ষে দুই গোল করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান।
সবচেয়ে আলোচনায় থাকেন মেসি। তিনি আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসের সঙ্গে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে উঠে আসেন।
কিন্তু বুধবার একই সাফল্য ধরে রাখতে পারেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের অধিনায়ক তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। ম্যাচে রোনালদো খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি, যদিও তিনি প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার ইতিহাস গড়ার সুযোগে ছিলেন।
ম্যাচের শুরুতে ষষ্ঠ মিনিটেই পেদ্রো নেতোর ক্রস থেকে জোয়াও নেভেস গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন। তবে বিরতির ঠিক আগে নিউক্যাসলের ফরোয়ার্ড ইয়োয়ানে উইসা কঙ্গোর হয়ে সমতা ফেরান।
বল দখলে পর্তুগাল এগিয়ে থাকলেও (৭৫ শতাংশ), তারা মাত্র সাতটি শট নিতে সক্ষম হয়, যার মধ্যে কেবল একটি লক্ষ্যে ছিল—নেভেসের গোল।
রোনালদো দ্বিতীয়ার্ধে দুটি ভালো সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে টানা দশ ম্যাচে বড় টুর্নামেন্টে তিনি গোলহীন থাকলেন।
ম্যাচ শেষে বিশ্লেষকরা রোনালদোকে পুরো ম্যাচে মাঠে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাদের মতে, তার উপস্থিতি কখনও কখনও দলের স্বাভাবিক খেলায় প্রভাব ফেলেছে।
সাবেক খেলোয়াড়রা মত দিয়েছেন, রোনালদোর উপস্থিতি সতীর্থ খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্ত ও শট নেওয়ার প্রবণতায় প্রভাব পড়ছে, যা দলীয় খেলাকে কিছুটা বাধাগ্রস্ত করছে।
তবে অনেকেই আবার মনে করেন, রোনালদোর সাফল্যের জন্য সুযোগ তৈরি করাই মূল বিষয়, এবং সঠিক সুযোগ পেলে তিনি এখনও গোল করতে সক্ষম।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।