যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশি ইউনিয়নের জিয়া খাল পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে তিনি খালটি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং এর সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে খালটির উন্নয়ন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সৌন্দর্যবর্ধন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হবে এবং খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি মৎস্য চাষ, হাঁস পালনসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম গড়ে তুলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
জিয়া খাল খনন করা হলে যেসব সুফল পাওয়া যাবে সেগ্রলো তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। সুফলগুলো হলো-
* বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩৫ বর্গ কিমি এলাকার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে
* প্রায় ৯৯ একর জমির ফসল জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে
* ১৮,৫০০ জন কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন
* প্রায় ১,৪০০ মেট্রিক টন ফসল রক্ষা পাবে
* শুষ্ক মৌসুমে ১,৭৩০ একর জমিতে সেচ সুবিধা মিলবে
* ২,৫০০টি বৃক্ষরোপণ করা হবে
* ১০০ জন শ্রমিকের ৬০ দিনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে
* প্রায় ৭২,০০০ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন
* দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আশেক হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলী এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জোয়া সেলিমসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, জিয়ার খাল এলাকার উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে খালটির পরিবেশ ও সৌন্দর্য বজায় রেখে এলাকাকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আগত অতিথিদের সামনে একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি উপস্থাপন করা যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।