যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব শাবানা মাহমুদের নতুন আশ্রয় নীতি সংস্কারের পরিকল্পনা প্রকাশ সাপেক্ষে তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছে স্কটিশ সরকার। স্কটিশ সমাজকল্যাণমন্ত্রী শার্লি-অ্যান সামারভিল বলেছেন, এসব পরিবর্তন “নিয়ন্ত্রিত ও মানবিক আশ্রয় ব্যবস্থা গড়ে তুলবে না”, বরং উদ্বাস্তুদের অধিকার সীমিত ক২০ বছর অপেক্ষা, দ্রুত প্রত্যাবাসন।
প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী—আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে অপেক্ষা করতে হবে ২০। আবেদন বাতিল হলে দ্রুত বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হবে। শরণার্থীর মর্যাদা এখনকার পাঁচ বছরের বদলে দেড় বছরের ব্যবধান পর্যালোচনা করা হবে। যেকোনো সময় তাদের দেশকে ‘নিরাপদ’ ঘোষণা করা হলে তারা প্রত্যাবাসনের মুখে পড়বেন।
এর পাশাপাশি একাধিক আপিলের সুযোগ বাদ দিয়ে রাখা হচ্একটি মাত্র আপিল। আপীলে ব্যর্থ হলে সরাসরি দেশত্যাগ করতে হবে। মানবাধিকার আইনের ব্যাখ্যাতেও পরিবর্তন আনা হবে, যাতে পরিবারের সঙ্গে থাকার অধিকার কেবল যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত নিকটাত্মীয়দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়‘ভগ্ন আশ্রয় ব্যবস্থাকে সংস্কারের নৈতিক দায়িত্ব’—মাহমুস্বরাষ্ট্রসচিব শাবানা মাহমুদ জানান, করদাতার অর্থে এখন ১ লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করছেন এবং অনেকে সুরক্ষা পাওয়ার পরও কর্মসংস্থানে যুক্ত হচ্ছেন না। তার দাবি, এই পরিস্থিতি পরিবর্তন করা জরুরি এবং এই নীতির লক্ষ্য হলো “বিভক্ত দেশকে ঐক্যবদ্ধ করা”।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।