রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। সেইসঙ্গে বেড়েছে আদা, রসুনসহ কিছু সবজির দাম। তবে দাম কমেছে আলু, ডিম ও পোলট্রি মুরগির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, ডাল, তেল, মাছ ও মাংসের দাম।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা থেকে লাফিয়ে ৫০-৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ১৫-২০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৫-৩০ টাকা, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, ঝিংগা ৬০-৭০ টাকা, বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা পিস, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলা ২৫-৩০ টাকা হালি, সজনে ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০-১০০ টাকা, চিকন বেগুন ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫-৫০ টাকা, গোল বেগুন আগের মতোই ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫৫-৬০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, শিম ৩০-৪০ টাকা, বরবটি ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫-৫০ টাকা, শসা ৪০-৫০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা, কচুরলতি ৬০-৭০ টাকা, লেবুর হালি ২০-২৫ টাকা, ধনেপাতা ৩০-৪০ থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০ টাকা, শুকনা মরিচ ৪০০-৪৫০ টাকা এবং সব ধরনের শাক ১০ থেকে ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য কমে ১৫-১৮ টাকা, শিল আলু ৩০-৩৫ টাকা, ঝাউ আলু ৩০-৩৫ টাকা এবং বগুড়ার লাল পাগড়ি আলু ২৫-৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে এখন মুরগির আমদানি বেশি। সে তুলনায় বিক্রি কম। এ কারণে গত সপ্তাহের চেয়ে দাম কিছুটা কমেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন আগের মতোই ১৭৫-১৮০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে মসুর ডাল (চিকন) আগের মতোই ১৩০-১৪০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৬০-১৮০ টাকা, বুটের ডাল ১২০-১৩০ টাকা, চিনি ১২০-১২৫ টাকা, ছোলাবুট ১১০-১২০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, খুচরা বাজারে আগের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৮-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৮০-৮৫ টাকা, জিরাশাইল ৭৩-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৯০-৯৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৯৫-৯৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মাছের বাজারে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ২৭০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২০০-২২০ টাকা, পাঙাস ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংসে তো হাত লাগালে হাত পুরছে সাধারন ক্রেতাদের বাজারে গরুর মাংস ৭৬০ হতে ৭৭০ টাকা আবার শুক্রবারে দাম অনেক সময় বেড়ে ৭৮০ বা তার বেশী হয়ে যায় এবং ছাগলের মাংস ১০০০ হতে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এমআই
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।