
রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিন দফা দাবিতে বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় পৌর শহরের কেন্দ্রীয় হাইস্কুল মাঠ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষানুরাগীরা অংশ নেন। ক্লাস বর্জন ও কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভকারীরা “শিক্ষক লাঞ্ছনা কেন, রাষ্ট্র জবাব চাই” এবং “শিক্ষকদের ওপর হামলা, মানি না মানব না”—এ ধরনের স্লোগান সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার হাতে মিছিল বের করেন। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের সামনে এসে সমাবেশে রূপ নেয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জাতি গঠনের কারিগর শিক্ষকদের ওপর এমন অমানবিক হামলা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য লজ্জাজনক। যারা হামলা করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।” তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানান। বক্তারা আরও বলেন, “দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষকরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। তাদের ওপর পুলিশি হামলা শিক্ষক সমাজের মর্যাদায় আঘাত।”
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন— সাবেক সাংসদ ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জাহিদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান আলী এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রজব আলী।
এছাড়া শিক্ষক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন—অধ্যাপক জুলফিকার আলী ভুট্টো, প্রভাষক নাসিরুদ্দিন, প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা, ফেরদৌস আলম মানিক, শাহাবুদ্দিন, বাবর আলী, রেজাউল করিম, সহকারী শিক্ষক আব্দুল হামিদ প্রমুখ। বক্তারা শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোশারফ হোসেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।