পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনায় জেলে মো. শামিম জোমাদ্দার (৪০) ও তার ১১ বছরের ছেলে সিয়াম জোমাদ্দার নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের বাড়ি রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরগঙ্গা বাঁধঘাট বাজার এলাকায়। ট্রলারে থাকা বাকি চারজন জেলেকে অন্য জেলেদের সহায়তায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) উদ্ধার হওয়া জেলে শাওন হাওলাদার (২৪) নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া শাওন জানান, গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরগঙ্গা বাঁধঘাট থেকে এমভি সিদ্দিক নামের একটি ট্রলার নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরতে যান তারা। তাদের ট্রলারে মোট ৬ জন মাঝিমাল্লা ছিল। সাগরে দুই দিন মাছ ধরার পর মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে পাইপবয়া এলাকায় ট্রলার নোঙ্গর করে তারা রাতে ঘুমিয়ে পড়ে। গভীর রাতে ঝড় ও ঢেউয়ের তাণ্ডবে তাদের ট্রলারের নিচের অংশ ছিদ্র হয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে। এরপর ট্রলারটি উল্টে যায়। এসময় উল্টে যাওয়া ট্রলারে নিখোঁজ থাকার শামীমের বাবা মো. সিদ্দিক জোমাদ্দার, মো. শাওন, মো. রাব্বী (১৮) এবং রাসেদ (২০) আশ্রয় নিতে পারলেও শামীম ও তার ১১ বছরের ছেলে সিয়াম নিখোঁজ হয়।
শাওন আরও জানান, পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে (২৫ ডিসেম্বর) অন্য জেলেদের সহযোগীতায় তারা চারজন বিকাল ৩টার দিকে কুয়াকাটা বন্দরে ফিরে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে্লক্সে চিকিৎসা নেন।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষ থেকে নিখোঁজের বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নৌ-পুলিশের উদ্ধার অভিযানের সক্ষমতা না থাকায়তিনি মহিপুর কোস্টগার্ড ও রাঙ্গাবালী থানা-পুলিশকে অবহিত করেছেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার এবং নিখোঁজের খবর পেয়ে তিনি কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।