
সারা দেশে উদ্বেগজনক হারে হাম-রুবেলায় আক্রান্তের ঘটনা বাড়লেও সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় পরিস্থিতি এখনো অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলার উপসর্গে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে জেলায় নিয়মিত ইপিআই (EPI) কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ এমআর (মিজলস-রুবেলা) টিকাদান কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। গত ২০ এপ্রিল শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ইতোমধ্যে অধিকাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নিয়মিত শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে এবং টিকাকেন্দ্রগুলোর পরিবেশ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা গেছে।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, “সারাদেশের তুলনায় সাতক্ষীরায় হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা খুবই কম। এ পর্যন্ত জেলায় তিনজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। তারা সবাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে কারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে কিছু সন্দেহভাজন রোগী পাওয়া যাচ্ছে। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এখনও প্রায় তিন হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনা বাকি রয়েছে।”
সিভিল সার্জন আরও জানান, এমআর ভ্যাকসিন কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন সরকারি বিভাগ সহযোগিতা করেছে। কোথাও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকা নিয়ে আস্থা বেড়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।