
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নদীভাঙন, অগ্নিকাণ্ড, ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৬টি দরিদ্র, অসহায় ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিনব্যাপী উপজেলার শান্তিরাম ও রামজীবন ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে চেক তুলে দেন।
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে উপজেলার রামজীবন, ধোপাডাঙ্গা, শান্তিরাম, হরিপুর, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের নদীভাঙন, অগ্নিকাণ্ড, ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৬টি পরিবারের মধ্যে মোট ৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, “সরকার সবসময় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করবে। কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। সরকারের মানবিক সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ঘুরে দাঁড়াতে সরকার নিরন্তর সহায়তা করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম ব্যক্তিদেরও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।”
এদিকে, একই কর্মসূচির আওতায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ২৬১টি পরিবার এবং শান্তিরাম ইউনিয়নের ১৬৩টি পরিবারের মধ্যে ৩০ কেজি করে সরকারি জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামজীবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হুদা সরকার, দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল আলম সরকার রেজা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী সরকার হাসেমুজ্জামান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।