শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মীর পরিচয়ে দায়িত্ব পালন, বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী ভাগানো এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাশেদ ওরফে রাজিব নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগের তির সংশ্লিষ্ট আউটসোর্সিং সুপারভাইজারের দিকেও।
অভিযোগকারীদের দাবি, একসময় হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে দায়িত্ব পালন করতেন রাশেদ ওরফে রাজিব। বর্তমানে তাঁর চাকরি না থাকলেও কীভাবে তিনি এখনো সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন । এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
শুধু তাই নয়, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দালালির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমানে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী ভাগানোর কাজ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে, আউটসোর্সিং সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগসাজশে গ্রামের বেকার যুবকদের হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।
এ পরিস্থিতিতে রাশেদের চাকরির বৈধতা, হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের সুযোগ এবং রোগী ভাগানো ও চাকরির নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
এখন প্রশ্ন, চাকরির বৈধতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব কী? হাসপাতালের ভেতরে রোগী ভাগানো এবং চাকরির নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগের পেছনে কি রয়েছে সংঘবদ্ধ কোনো চক্র ?
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।