গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী হিসেবে সব প্রার্থীর প্রচারণার স্বাধীনতায় শ্রদ্ধাশীল বলে জানিয়েছেন ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক। তবে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ভোটারদের এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে কেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করার যে কোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
নির্বাচনী প্রচারণার ষষ্ঠ দিন আজ মঙ্গলবার মিরপুরের বেনারসি পল্লী ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গণসংযোগের শুরুতে সাংবাদিকদের আমিনুল হক বলেন, ‘আমার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। আমি অত্যন্ত সহনশীল ও ধৈর্যশীলভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা চাই প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই সমান অধিকার থাকুক। আমার পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছি যাতে তারা স্বাধীনভাবে প্রচারণা চালাতে পারে।’
প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি একটি গোষ্ঠী বোরকা পরে ঘরে ঘরে গিয়ে অসহায় মানুষের এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। ৫০০ টাকা করে দিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। তাদের বলা হচ্ছে যে, যেহেতু এনআইডি নম্বর নেওয়া হয়েছে, তাই কেন্দ্রে না গেলেও ভোট হয়ে যাবে। এই ধরনের প্রতারণা ও জালিয়াতির ষড়যন্ত্র অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবেন, সেখানে এনআইডি বা বিকাশ নম্বর নেওয়ার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বা বিভ্রান্ত করে কারচুপির এই অপচেষ্টা রুখতে আমরা ইতিমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে অবহিত করেছি।’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমিনুল হক বলেন, ‘সাধারণ মানুষ এখন অনেক সচেতন। অনেক মানুষ প্রলোভন প্রত্যাখ্যান করে বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। তবে অসহায় মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে যারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।’ এ সময় নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানান ধানের শীষের এই প্রার্থী।
সম্পাদক ও প্রকাশক, এটিএম রাকিবুল বাসার কর্তৃক প্রকাশিত এবং শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।