আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ , ৩:৪১:০৬ প্রিন্ট সংস্করণ
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার ১৬১টি পূজামণ্ডপে মোট ৯৬ হাজার ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে বরাদ্দের পরিমাণ ৬০০ কেজি, যা গত বছরের তুলনায় ১০০ কেজি বেশি। বরাদ্দের বিপরীতে পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে চালের ডিও লেটার হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জিআর কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরুপম মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিম হোসেন তমাল, আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অয়ন সাহা, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন মিয়া, শামছুল হক খোকন, কার্তিক বেপারী ও এনায়েত খান মনু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শামীমুল ইসলাম শামীম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী, সদস্যসচিব দীনেশ চন্দ্র হালদার, বিআরডিবির চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি জহির উদ্দিন স্বপন এমপি পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে ৬০০ কেজি করে চালের ডিও লেটার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১৬১টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপে ১০০ কেজি করে চাল বেশি বরাদ্দ দেওয়ায় মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬০০ কেজি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। সবাই যাতে আনন্দ, উৎসাহ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
গত বছরের তুলনায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে ১০০ কেজি করে বেশি চাল বরাদ্দ পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও পূজামণ্ডপ কমিটির নেতারা। তাঁরা বলেন, দুর্গাপূজার আয়োজন করতে প্রতিটি মণ্ডপেই উল্লেখযোগ্য ব্যয় হয়। সরকারের এই অতিরিক্ত সহায়তা পূজা উদযাপনের ব্যয় নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





















