প্রতিনিধি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৬:২২:৩১ প্রিন্ট সংস্করণ
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) গত ৪-৬ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত এআই ফর ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ফোরাম (এআইএফওডি) -এর উইন্টার সামিটে অংশগ্রহণ করেছে। এই মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক ফোরামে এআইইউবি’র প্রতিনিধিত্ব করেন ড. কারমেন জেড. লামাগনা, মেম্বার, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, এআইইউবি এবং প্রফেসর ড. দীপ নন্দী, অ্যাসোসিয়েট ডিন, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এআইইউবি।
এআই ফর ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। এই ফোরাম বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে এমন এআই সমাধান নিয়ে আলোচনা করে, যা বৈশ্বিক মানক মডেলের ওপর নির্ভর না করে স্থানীয় প্রয়োজনের প্রতি সাড়া দেয়। ব্যাংকক সামিটে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়—কীভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো কেবল ডেটা সরবরাহকারী ও প্রযুক্তি ভোক্তা না থেকে নিজেদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের প্রকৃত নির্মাতা হতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে ‘হাউ ক্যান ডেভেলপিং কান্ট্রিজ বিল্ড এআই দ্যাট’স ট্রুলি আওয়ার্স?’ শীর্ষক প্যানেল সেশনটি সঞ্চালনা করেন প্রফেসর ড. দীপ নন্দী। মডারেটর হিসেবে তিনি এআই বিভাজন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি উন্নয়ন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক আলোচনা পরিচালনা করেন।
সামিটে ড. কারমেন জেড. লামাগনা ও প্রফেসর ড. দীপ নন্দী এআইএফওডি’র প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে তাত্ত্বিক এআই গবেষণা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধান কমাতে শক্তিশালী একাডেমিক সহযোগিতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ড. লামাগনা বলেন, স্থানীয় প্রেক্ষাপটে এআই উন্নয়ন করা হলে তা টেকসই উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি জানান, প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর এআইইউবি ক্যাম্পাসে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি বিদ্যুৎ চাহিদা ও সৌরশক্তি উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে, যা আরও দক্ষ ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সহায়ক হচ্ছে। এআইএফওডি উইন্টার সামিটে এআইইউবি’র সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে।




















