প্রতিনিধি ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৭:৩৫:৫০ প্রিন্ট সংস্করণ
এবার নতুন বছর শুরুর দিনই হাতে বই পাবে শিক্ষার্থীরা। প্রাথমিক স্তরের জন্যইতোমধ্যেই শতভাগ নতুন বই এসে গেছে। শুধু তাই-ই নয়, স্কুলে স্কুলে পৌঁছেও গেছে বই। এবারের বিভিন্ন বিষয়ের বইয়ে ঠাঁই পেয়েছে জুলাই বিপ্লবের বীরত্বগাঁথা। তবে মাধ্যমিকের সব বই পৌঁছেনি। প্রথম ধাপে ষষ্ঠ শ্রেণির সব বই এবং নবম শ্রেণির কিছু বই এসেছে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনো উপজেলা পর্যায়ে না পৌঁছানোয় বিতরণ শুরু হয়নি।
রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা গেছে, প্রাক্-প্রাথমিক পর্যায়ে জেলায় বই দরকার ৪১ হাজার ৬২৬ সেট। আর প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত দরকার ১১ লাখ ১৯ হাজার ২০৪ কপি বই। ইতিমধ্যে চাহিদার সব বই পাওয়া গেছে। গত ২১ ডিসেম্বর থেকে বই বিভিন্ন স্কুলে পাঠানো হচ্ছে। নগরীর হোসনীগঞ্জ বালক ও বালিকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে স্কুলে স্কুলে বই পাঠানো হয়। স্কুলের শিক্ষকরা এসে বই নিয়ে যান।
রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এবার প্রাথমিকের বই নিয়ে কোনো সংকট নেই। আমাদের চাহিদার শতভাগ বই আমরা পেয়েছি।
এদিকে মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, রাজশাহীতে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ের চাহিদা প্রায় ২২ লাখ ৭ হাজার কপি। সব বই এখনো পাওয়া যায়নি। যেগুলো এসেছে, সেগুলোই উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে স্কুলে স্কুলে বিতরণ করা হচ্ছে। বাকি বইগুলো আসামাত্র বিতরণ করা হবে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের বই বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষকরা জানান, গত শিক্ষাবর্ষে তিন থেকে চার মাস দেরিতে সম্পূর্ণ বই হাতে পাওয়ায় পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়েছিল। এবার শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে সব বই পৌঁছানোর প্রত্যাশা করছেন তারা। এবার প্রথম ধাপে ষষ্ঠ শ্রেণির সব বই এবং নবম শ্রেণির কিছু বই সরবরাহ করা হয়েছে। তবে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনো উপজেলা পর্যায়ে না পৌঁছানোয় সেগুলো বিতরণ শুরু হয়নি। তবে বাকি বই দ্রুতই চলে আসার কথা।
রাজশাহী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জায়েদুর রহমান বলেন, ‘নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ পাঠ্যবই হাতে পাবে। তবে বই উৎসবের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।’





















