প্রতিনিধি ১০ মার্চ ২০২৬ , ১১:১৮:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ
চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে মোটরসাইকেল চালকদের সুখবর দিল সরকার। এখন থেকে মহানগরে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রল কিনতে পারবেন।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।।
এতে বলা হয়েছে, দেশের জনগণের ভয়-আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম বা সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেলে দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ফিল্ডারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপন হতে সারাদেশের সকল ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন বা ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ-বিপিসি কর্তৃক কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে রাইড শেয়ারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত মোটরসাইকেল চালকরা দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রল নিতে পারবেন। নতুন এই নির্দেশনা আপাতত মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং অ্যাপে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে; ফিলিং স্টেশন হতে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা প্রদান করতে হবে এবং সর্বশেষ মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাইপূর্বক জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
এতে উল্লেখ করা হয়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়-বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনত অপরাধ। দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যের স্থিতিতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত দাম বজায় রাখা হয়।
বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। এ অবস্থায় দেশের সব ভোক্তা বা ফিল্ডারদের অর্পিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হলো, উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।








