প্রতিনিধি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১:০৭:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগবঞ্চিতরা আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র পাবেন। এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। ৮১৭ জন শিক্ষকের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা চূড়ান্ত করা হবে।
আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মন্ত্রী বলেন, এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ সময়ের মধ্যে যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন প্রতিবেদনে যাদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাদের কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তাই যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।





















