রংপুর প্রতিনিধি ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১২:৫৯:৪১ প্রিন্ট সংস্করণ
রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া নিয়োগ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও আর্থিক অনিয়মকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, গত ২১ আগস্ট প্রভাষক আলিউল করিম প্রামাণিক ও রাশেদ-উল-ইসলামের প্ররোচনায় প্রাক্তন ছাত্র সংসদের একটি অংশ ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এর জের ধরে তৎকালীন প্রিন্সিপাল মন্জুয়ারা পারভিনকে অপসারণ করা হয় এবং রহস্যজনকভাবে তিনি নিজেই ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত তার বেতন বন্ধ রাখা হয়।
শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবি, মব সৃষ্টি করে প্রিন্সিপালকে অন্যায়ভাবে অপসারণ করা হয়েছে। তারা সঠিক তদন্ত ও সমাধান দাবি করেছেন। তবে জেলা শিক্ষা অফিসার এনায়েত হোসেন ও এডিসি (শিক্ষা) রমিজ আলম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। গভর্নিং বডির সভাপতি রবিউল ফয়সলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, আলিউল করিমের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হয় যে মন্জুয়ারা পারভিন ব্যক্তিগতভাবে রকেট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করেছেন। তবে নথি অনুযায়ী, উত্তোলিত অর্থ প্রতিষ্ঠানের মূল অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন, পরীক্ষা বাবদ বিলসহ প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহার হয়েছে। একাধিক কর্মকর্তার সাক্ষরযুক্ত নথি থেকেও তা স্পষ্ট হয়।
এ বিষয়ে দুদকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। রংপুর দুদকের উপপরিচালক মো. শাওন জানান, প্রমাণ মিললে দুর্নীতি দমন কমিশন অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রংপুরকে সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।





















