প্রতিনিধি ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৮:০২:১৪ প্রিন্ট সংস্করণ
সারাদেশে বিএনপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর নেতারা এ হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় তারা বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে তার দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ‘সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না’—এমন স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশকে অস্থিতিশীল না করার অবস্থানের জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে ‘আন্তরিক ধন্যবাদ’ জানায় ডাকসু।
ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব হয়েছে এই ফ্যাসিবাদি কাঠামো ভেঙে দেওয়ার জন্য, হাসিনাবাদী যে রাজনীতি সেই রাজনীতিকে ভেঙে নতুন রাজনীতি বিনির্মাণ করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই হাসিনার রাজনীতি, ফ্যাসিবাদী আমলে যেমন দেখতে পেয়েছি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, মারামারি এবং দেখে নেওয়ার হুমকি। এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। যদি আপনারা ব্যর্থ হন তাহলে আমরা আবার রাজপথে নামব।’
তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘আপনার নেতাকর্মী যারা আছে, তাদেরকে আপনি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেন এই সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না, এই হুমকি দেওয়ার রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না।’
১১ দলীয় জোটের প্রধান এবং জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী উনি চাইলে দেশে অনেক অস্থিতিশীল করার কথা বলতে পারতেন। কিন্তু তিনি সারাদেশের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারাদেশে ৩টা লাশ পড়েছে, যেটা খুবই অপ্রত্যাশিত।’
বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে ডাকসু তার প্রতিবাদ করে কিনা জিজ্ঞেস করলে এস এম ফরহাদ বলেন, ‘হ্যাঁ আমাদের জায়গা থেকে প্রত্যেকটা আক্রমণের বিরুদ্ধে, কোথাও যদি জামায়াত এটা করে, এনসিপিও কারো ওপর আক্রমণ করে, আমরা এইটার বিরুদ্ধে থাকব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ৩টা ঘটনা চেক করেছি দায়িত্ব নিয়ে, যেটা এনসিপির বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে এবং জামায়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তিনটাই পরে গিয়ে দেখি হারার কারণে এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে (বিএনপির) দায় দিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করা শুরু করেছে।’




















