প্রতিনিধি ১০ মার্চ ২০২৬ , ২:০৪:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ অভিযোগে মারধরের ঘটনায় শাহবাগ থানায় অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। এতে অভিযুক্ত হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে মারধরের স্বীকার হওয়া শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের মা পারভীন আক্তার এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে সাইফুল্লাহ, হাসিব-আল-ইসলাম, সাঈদ আফ্রিদী, রিয়াদ মাল, সর্দার নাদিম শুভ, মো. সাকিব, ফোরকান উদ্দীন মহি, বায়েজিদ হাসান, হিমেল, সজীব হোসেন- এই ১০ জনের নাম উল্লেখ করাসহ আরও ১০/১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির কথা বলা হয়।
এতে বলা হয়, আহত রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী। রোববার রাত ৩টার দিকে সেহরি খাওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন তিনি। পথে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন শহীদ মিনারের সামনে পৌঁছালে নাম উল্লেখিত বিবাদীসহ আরও ১০–১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দেশি অস্ত্র, লোহার রড, স্টিলের পাইপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে তার পথরোধ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল্লাহ লোহার রড দিয়ে পাভেলের মাথায় আঘাত করতে গেলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়। পরে হাসিব-আল-ইসলাম পেছন থেকে মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করলে তা তার বাম কানে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া অন্যরা লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।
অভিযোগে অনুযায়ী, পাভেল সেখান থেকে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আবারও ধাওয়া করে এসএম হলের সামনে ফেলে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা নগদ পাঁচ হাজার টাকা, মোটরসাইকেলের চাবি ও এটিএম কার্ড নিয়ে যান।
পরবর্তীতে এক রিকশাচালক আহত অবস্থায় পাভেলকে শাহবাগ থানার সামনে নিয়ে এলে সেখানে আবারও তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।




















