যশোর প্রতিনিধি: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৫:৫১:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পশু চিকিৎসক মুক্তার আলীর বিরুদ্ধে সরকারি ফি অমান্য করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস পদক্ষেপ নিয়েছে।
সম্প্রতি মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দৈনিক মতপ্রকাশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, সরকার নির্ধারিত কৃত্রিম প্রজনন ফি হিমায়িত সিমেনের ক্ষেত্রে মাত্র ৭৫ টাকা হলেও মুক্তার আলী তা ১২০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে রয়েল/রাফিজা নামের এক মালিকের গাভির কৃত্রিম প্রজননে (এইচএফ-১০০% ওস্কাভ) তিনি দুই ডোজ প্রয়োগ করে মোট ২,৪০০ টাকা নেন। অথচ বাজারে এই বীজের স্বাভাবিক মূল্য ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা মাত্র।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, তরল সিমেন দ্বারা কৃত্রিম প্রজননের ফি ৫০ টাকা এবং হিমায়িত সিমেন দ্বারা ৭৫ টাকা। এছাড়া বেসরকারি সেবায় সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা, কর্মীর পারিশ্রমিক সরকারি ব্যবস্থায় ৪০ টাকা, বেসরকারি ব্যবস্থায় ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ২০ টাকা যাতায়াত খরচ নির্ধারণ করা আছে।
কিন্তু এসব নিয়ম উপেক্ষা করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মাসুমা আখতার মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) মুক্তার আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছেন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে সন্তোষজনক জবাব দিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে অভিযোগ ওঠেছে, সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে মুক্তার আলী সংবাদকর্মীদের ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দিচ্ছেন এবং ১০ লক্ষ টাকার মানহানি মামলা করারও হুমকি প্রদর্শন করছেন।















