প্রতিনিধি ২৭ জুলাই ২০২৬ , ১১:০০:৫২ প্রিন্ট সংস্করণ
বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়ন ও ভবিষ্যত মানবসম্পদ গঠনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)। প্রতিষ্ঠান দুটির যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে ‘পুষ্টিগ্রো+’ নামে সিরিয়ালভিত্তিক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পুষ্টি সমাধান।
২৩ জুলাই ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এফআইসিসিআই এফডিআই সম্মেলন ২০২৬-এ এই যৌথ উদ্যোগের উদ্ভাবন তুলে ধরে নেসলে বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হয় নেসলে বাংলাদেশ ও বিসিএসআইআরের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি পুষ্টিগ্রো+।
৫ বছর ও তদূর্ধ্ব শিশুদের জন্য উপযোগী এই পুষ্টি সমাধান প্রতিদিনের ঘরে রান্না করা খাবারের সঙ্গে সহজেই মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রোবায়োটিক, আয়রন, জিংক ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিটামিন, যা শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে পারে।
সম্মেলনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি, এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা নেসলে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রতিষ্ঠানটির উদ্ভাবনী পুষ্টি সমাধান সম্পর্কে অবহিত হন।
বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ডা. সামিনা আহমেদ বলেন, ‘বিসিএসআইআরের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এবং নেসলের বৈশ্বিক পুষ্টি-অভিজ্ঞতার সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছি। সরকারি ও বেসরকারি খাতের এ ধরনের সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।’
নেসলে বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীপাল আবেউইক্রেমা বলেন, ‘বিসিএসআইআরের সঙ্গে আমাদের যৌথ উদ্যোগের ফল পুষ্টিগ্রো+। এটি দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি সাশ্রয়ী সমাধান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি মোকাবিলায় আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’
তিনি আরও বলেন, ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বাংলাদেশ যখন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে নেসলে বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং দেশের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক মূল্য সৃষ্টি করতে সহায়তা করবে।





















