প্রতিনিধি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ৪:৪৭:৫৭ প্রিন্ট সংস্করণ
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ৪৯ জন পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন তিনজন। যেখানে টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক আমিনুল হক। আলোচনা আছে, তাকে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে।
আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচন করেছিলেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের কাছে হারেন।
কিংবদন্তি এ ফুটবলার রাজধানীর পল্লবী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি একজন বিএসএস ডিগ্রিধারী এবং পেশায় ব্যবসায়ী। তার স্ত্রী বিলকিছ আরা নিপা-ও ব্যবসায়ী। আমিনুল হক বিএনপির একজন সক্রিয় নেতা হলেও এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, যা থেকে বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭০০ টাকা। এছাড়া তার নামে নগদ অর্থ, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও মোটরযানসহ উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদ এবং অকৃষি জমি ও অ্যাপার্টমেন্টের মতো স্থাবর সম্পদের তথ্য রয়েছে।
মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটা কী?
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হন। তবে বাংলাদেশের সংবিধানে একটি বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে যাতে দেশ পরিচালনার জন্য দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের কাজে লাগানো যায়।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে পারেন যারা সংসদ সদস্য নন। তবে এর একটি নির্দিষ্ট সীমা বা কোটা রয়েছে।
মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ (বা ১/১০ অংশ) টেকনোক্র্যাট হতে পারেন। বাকি ৯০ শতাংশ (বা ৯/১০ অংশ) অবশ্যই নির্বাচিত সংসদ সদস্য হতে হবে। যিনি টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হবেন, তাকে অবশ্যই সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য হতে হবে। অর্থাৎ তার বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।
সংসদ নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত তাকে পূরণ করতে হবে (যেমন: ঋণখেলাপি না হওয়া, বিদেশি নাগরিকত্ব না থাকা ইত্যাদি)।




















